আনিছুর রহমান রুবেলঃ সড়ক পরিবহন, সেতু, নৌ-পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়বে এটা তো কাম্য না। একটা নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা যদি চোখে পড়ে, এটা তো জাতির ব্যর্থতা। নিষিদ্ধ দল নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। একসময় একটা রাজনৈতিক দল ছিল এবং জনআকাঙ্ক্ষা এবং জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে ফাংশন করতে গিয়ে আজকে পরিত্যক্ত, জনগণ কর্তৃক বর্জিত।
সর্বশেষ নিষিদ্ধ, আর নিষিদ্ধ মানে তো নিষিদ্ধই। ২৩ জুন মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের চরগুলগুলিয়া গ্রামের ধলেশ্বরী নদীর উপর নির্মিত রেলসেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নীচে বাংলাদেশ রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এখন প্রশ্ন একটা রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ বিষয়টি জাতি কিভাবে দেখে। জাতি নিষিদ্ধ চেয়েছে বিধায় দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য জাতি গণঅভ্যুত্থান করেছে। দেশ থেকে তাদের ভেগে যেতে বাধ্য করেছে দেশের জনগণ। জনগণ রাজনৈতিক দলের বৈধতা দেয়। এখন জনগণও তাদেরকে নিষিদ্ধ করেছে এবং আইনও তাদের নিষিদ্ধ করেছে। অতএব নিষিদ্ধ কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়।
তিনি আরও বলেন, সরকারের যত জায়গা আছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সে সমস্ত জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে। এরমধ্যে কিছু জায়গা যেগুলো এক একরের বেশি সেগুলো এক রকমের চিহ্নিত করা হচ্ছে।যেগুলো এক একরের নিচে আছে সেগুলোকে একরকম চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিন একরের উপরে যেগুলি আছে সেগুলোকে আবার আরেক রকম করে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিন একরের উপর যেখানে জায়গা আছে সেখানে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
তিন একরের অধিক জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে সোলার স্থাপন করা হবে। সেখানে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। অর্থাৎ সোলার প্যানেল স্থাপন করে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন,রেলপথ, সড়ক, ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী, হাবিবুর রশিদ এমপি মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, মুন্সিগঞ্জ ১আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো আব্দুল্লাহ, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষসহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতাকর্মিবৃন্দ।