ক্রাইম রিপোর্টারঃ
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে আপন বড় ভাইয়ের উপর, বিভিন্ন রকমের অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় সঙ্ঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গত শনিবার সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের পূর্ব রাজদিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ভাবে মুছা শেখ ও তার আপন ভাই কামাল হোসেনের সাথে বিরোধ ছিল।
তারই সূত্র ধরে শনিবার সকালে ময়লা ফেলার বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে জগড়ার সৃষ্টি হয়, এক পর্যায়ে মোহাম্মদ কামাল হোসেন মোহাম্মদ পারুল পিতা- মৃত মোফাজ্জল হোসেন,মোসাম্মদ নাসরিন আক্তার রনি স্বামী -মৃত আব্দুল কাইয়ুম,মোসাম্মদ আইরিন আক্তার স্বামী মোহাম্মদ কামাল হোসেন, মোহাম্মদ নিলা বেগম পিতা আহম্মেদ ভুইয়া,জান্নাতুল কারার পিতা-মৃত আব্দুল কাইয়ুম সহ আরো ৩/৪ জন মিলে মুছা শেখ ও তার ছেলের উপরে অতর্কিত হামলা করে।
এই বিষয়ে ভুক্তভোগী মুছা শেখ বলেন, আমি সংসারে বড়,ছিলাম তাই দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে ভাই বোনদের সকল চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করেছি,আমার ছোট ভাই কামাল হোসেন কে এডভোকেট বানিয়েছি, তাই আজ সে আমার উপর এই অত্যাচার করছে,সম্পত্তি দখল,মামলার হুমকি সহ সব ধরনের অন্যায় অত্যাচর করে আমাকে জিম্মি করে রেখেছে, আমার ৩ তলা বিল্ডিংয়ের নিচতলায় আমি থাকি,তারা উপর থেকে ময়লা আবর্জনা ফেলে, যা আমার টয়লেট ও পাকের ঘরে এসে পড়ে,তাদের টয়লেটের পাইপ পেঠে গেছে,সে পাইপ থেকে সরাসরি ময়লা আসে আমাদের টয়লেট ও পাকের ঘরে, গত ৩ মাস ধরে আমি তাদের পাইপ মেরামতের কথা বললেও তারা কোন ধরনে কর্নপাত করেনি। বরং আমাকে বলে এই ভাবেই চলবে থাকলে থাকো নাহলে বাড়ি ছেড়ে চলে যাও,আমি এক পর্যায়ে বলি আমার যায়গা আমাকে বুজিয়ে দাও,আমার ভাই কামাল হোসেন বলে দিবোনা পারলে কিছু কইরো ,মামলা করো গিয়ে,পারলে নিয়ে যাও, প্রয়োজনে খুনাখুনি হবে এই বলে সবাই মিলে আমার আর আমার ছেলের উপরে অতর্কিত হামলা করে,তারা ১৫ থেকে২০ জন আমরা ২ জন তাদের সাথে কিভাবে পারি,পরে আমাদের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেে নিয়ে যায়,
এই বিষয়ে আমি সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
শনিবার বিকাল ৪ টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কামাল হোসেন রা তাদের ময়লা আবর্জনা কোন নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে সব ময়লা উপর থেকে নিছে ফেলে,যার কারনে সব ময়লা মুছা শেখের টয়লেট ও পাকের ঘরে গিয়ে পড়ে এবং কামাল হোসেনের টয়লেটের পাইপ দীর্ঘ দিন ধরে নষ্ট হয়ে ময়লা পড়ে এই বিষয়ে কামাল হোসেনদের একাধিকবার বললেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তার নাম্বার টি বন্ধ পাওয়া যায়।
সিরাজদিখান থানার ওসি তদন্ত হাবিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।