মুন্সীগঞ্জে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর।
“দৈনিক মুন্সীগঞ্জের সময়” পত্রিকার সম্পাদক,এটি এন বাংলার মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মঈন উদ্দিন সুমন ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভের বিরুদ্ধে মানহানি ও চাঁদাবাজির মামলা দেয়া হয়। এ নিয়ে জেলা জুড়ে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা। একজন চিহ্নিত ঘুষখোর কর্মচারীর খুটির জোর কোথায় সেটাই এখন প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মনে।
সমকালের মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি কাজী সাব্বির আহম্মেদ দীপু বলেন, ঘুষের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও একজন ঘুষখোর কর্মচারী কিভাবে মামলা করে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
ঘুষ কান্ডে ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
যুগান্তর পত্রিকার মুন্সীগঞ্জের স্টাফ রিপোর্টার আরিফ উল ইসলাম বলেন, ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ওই কর্মচারী স্বপদে বহাল থাকে কিভাবে। এর আগেও ওই কর্মচারী বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আছে। ওল্টো সে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
প্রথম আলো পত্রিকার মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ বলেন, নানা অনিয়ম ও ঘুষ কান্ডে ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যদি এমন অপরাধের পরেও কেউ ছাড় পায়, তাহলে অপরাধ বাড়তেই থাকবে। আমরা সব সময় আমাদের সহকর্মীদের পক্ষে আছি। সকল অসৎ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি আনিছুর রহমান রলিন বলেন,ঘুষের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও একজন ঘুষখোর কর্মচারী কিভাবে মামলা করে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। ওই ঘুষখোর কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেশের আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হউক।
আর টিভির মুন্সীগঞ্জ পশ্চিম প্রতিনিধি হামিদুল ইসলাম লিংকন বলেন, এতো স্বচ্ছ প্রমাণ থাকার পরও কিভাবে একজন ঘুষ গ্রহণকারী কর্মচারী স্বপদে বহাল থাকে। এই কর্মচারী শত অনিয়মের পর স্বপদে বহাল থাকে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী জানান, অনিয়ম, দূর্নীতি ও ঘুষ কান্ডের পরও যদি একজন তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারী রোষানলে পড়ে সাংবাদিকদের হয়রানি হতে হয় এটা দেশ ও জাতির জন্য লজ্জার। সচেতন মহলের দাবী আর কত দূর্নীতি ও অনিয়ম হলে একজন মিজানুর রহমান শাস্তির আওতায় আসবে। নাকি তার কৌশলি মামলায় পড়ার ভয়ে সাংবাদিকগণ সত্য প্রচারে পিছিয়ে যাবে। সরকার কিংবা কর্তৃপক্ষ তাহলে কি শুধু নিরব হয়ে তাকিয়ে দেখবে।